রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ProdhanKhabor | Popular NewsPaper of Bangladesh
রবিবার ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে ৫০০পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ দাউদকান্দি ও সুন্দলপুর ইউনিয়নবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম প্রধান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আঠারোটি থ্রীহুইলার আটক করেছে দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা ঊঁচু করে দাঁড়াবে: ড. খন্দকার মোশাররফ দাউদকান্দিতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে জাসাসের উদ্যোগে ঈদবস্ত্র বিতরণ রাজামিয়া সমাজ কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কবি-কলামিস্ট ও সংগঠক আলী আশরাফ খান'র দাফন সম্পন্ন বিএনপিই একমাত্র দল,গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে: ড. খন্দকার মোশাররফ দাউদকান্দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব ও ব্যবহার বিষয়ক দিনব্যাপী সেমিনার দাউদকান্দিতে সাংবাদিকদের সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা অ্যাডর্ন পাবলিকেশনের উদ্যোগে আতা সরকারকে ঘিরে সাহিত্য-ইতিহাসের গভীর আলোচনা ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারে ‘তারুণ্যের শক্তি’ উপকমিটি গঠিত দাউদকান্দিতে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে ১০ দলীয় জোটের মতবিনিময় সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুকের পিতার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী এশিয়ার ১০ মুসলিমবান্ধব পর্যটন শহর | প্রধান খবর চার সপ্তাহের জন্য শাকসু নির্বাচন স্থগিত স্বামীর বাড়ি দাউদকান্দিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইউএনও ফেরদৌস আরা হ্যাপি বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ছিলো অসাধারণ: ড. মোশাররফ কবি ও প্রকাশক মঈন মুরসালিন এর জন্মদিন সেকান্দার মাস্টার স্মৃতি পাঠাগার ও সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন এনেছে যেসব দেশ | প্রধান খবর

জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন এনেছে যেসব দেশ | প্রধান খবর
জাতীয় সংগীত একটি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, এবং মূল্যবোধকেও তুলে ধরে । তবে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক, সামাজিক, এবং সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশ তাদের জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন এনেছে। এমন পরিবর্তনগুলো সাধারণত জাতীয় উন্নতি, লিঙ্গ সমতা, বা নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটানোর জন্য করা হয়। জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের কিছু দেশ সম্পর্কে, যারা বিভিন্ন কারণে তাদের জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন এনেছে

- অস্ট্রেলিয়া-

প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের ঘোষণার পর ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়ানরা তাদের জাতীয় সংগীতের একটি ভিন্ন সংস্করণ গাইবেন। নতুন এ জাতীয় সংগীতে অস্ট্রেলিয়াকে ‘ইয়াং অ্যান্ড ফ্রি’ হিসেবে আর অভিহিত করা হবে না। আদিবাসীদের সুদীর্ঘ ইতিহাস-ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটানোর অংশ হিসেবেই এ পরিবর্তন।

জার্মানি-

দেশটির সমতাবিষয়ক কমিশনার ক্রিস্টিন রোজে-ম্যোরিং জাতীয় সংগীতে আরো বেশি লিঙ্গ সমতা আনার প্রস্তাব করেছেন। সংগীতের যে অংশে ‘ফাটারলান্ড’ অর্থাৎ ‘পিতৃভূমি’ বলা হচ্ছে, সেখানে ‘হাইমাট’ অর্থাৎ ‘জন্মভূমি’ লেখার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। তবে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলসহ অনেকেই মনে করছেন, জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন নেই।

অস্ট্রিয়া-

২০১২ সালে লিঙ্গ সমতা আনার জন্য অস্ট্রিয়ার জাতীয় সংগীতে ‘ছেলেরা’-এর জায়গায় ‘মেয়েরা এবং ছেলেরা’ লেখা হয়েছে।

কানাডা-

উত্তর আমেরিকার এই দেশটিও সম্প্রতি তাদের জাতীয় সংগীতকে আরও লিঙ্গ নিরপেক্ষ করেছে। সংগীতের দ্বিতীয় লাইনে ‘তোমার সব ছেলেরা’-এর জায়গায় লেখা হয়েছে ‘আমরা সবাই’।

নেপাল-

২০০৮ সালে নেপালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়। তার আগের বছর নেপালে নতুন একটি গানকে জাতীয় সংগীতের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৬২ সালে গ্রহণ করা নেপালের আগের জাতীয় সংগীতে রাজতন্ত্রের প্রশংসা ছিল। তাই এতে পরিবর্তন আনা হয়।

আফগানিস্তান-

দেশটিতে বেশ কয়েকবার জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন আনা হয়। তালেবান শাসনামলে আফগানিস্তানে কোনো জাতীয় সংগীতই ছিল না। পরে ২০০২ সালে পুরোনো জাতীয় সংগীতকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। পরে ২০০৬ সালে তৎকালীন কারজাই সরকার সবকিছু নতুন করে শুরু করতে জাতীয় সংগীতও পরিবর্তন করে।

রুয়ান্ডা -

আফ্রিকার এই দেশটির কথা উঠলেই গণহত্যার কথা মনে পড়ে। ১৯৯৪ সালে মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে ওই দেশে পাঁচ থেকে ১০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। গণহত্যা-পরবর্তী রুয়ান্ডার ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে দেশটি ২০০১ সালে একটি নতুন জাতীয় সংগীত বেছে নেয়।

দক্ষিণ আফ্রিকা-

দেশটি ১৯৯৭ সালে আগের দুটি জাতীয় সংগীত থেকে কিছু অংশ নিয়ে নতুন একটি জাতীয় সংগীত তৈরি করে। আফ্রিকান ও ইংরেজি ভাষায় গানটি রচিত। তবে আফ্রিকান ভাষার অংশটি বর্ণবাদ আমলে ব্যবহৃত জাতীয় সংগীতের অংশ হওয়ায় এর সমালোচনা করেন অনেকে। নেলসন ম্যান্ডেলা সেটি রিকনসিলিয়েটরি ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণবাদ-পরবর্তী দক্ষিণ আফ্রিকার সংগীত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

রাশিয়া-

ভ্লাদিমির পুতিন ২০০০ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৯৯০ সালের আগে ব্যবহৃত জাতীয় সংগীত ফিরিয়ে আনেন। তবে গানের কথায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়। ১৯৯০ সালে যে জাতীয় সংগীত গ্রহণ করা হয়েছিল তাতে কোনো কথা না থাকায় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অ্যাথলিটরা এর সমালোচনা করেছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল, কথাবিহীন গান তাদের নাকি উদ্বুদ্ধ করতে পারেনি। সূত্র: বাংলাদেশ বুলেটিন

পিকে/এসপি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে ৫০০পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে ৫০০পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ